বাইরে বৃষ্টি তবু প্রত্যেক সন্ধ্যের মত আজও আড্ডা বসেছে নরহরি মিত্তিরের বাড়ি। উত্তর কলকাতার সব রক আর বৈঠকখানা সন্ধ্যাবেলা করে এক একটা আড্ডাখানা থুড়ি আলোচনাসভায় পরিনত হয়। কত কী যে আলোচনা হয় তার হিসাব নেই, আজ হয়তো সাহিত্য কাল ফুটবল তো পরশু রাজনীতি আবার কোনোদিন সিনেমা। একবার কেউ এই আড্ডায় যোগ দিলে সে আর আসা ছাড়তে পাড়বে না, যেন নেশার মতো। নরহরি মিত্তিরের বৈঠকখানাও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে এ আড্ডায় উপড়ি পাওনা রমেনবাবুর গল্প।কোনো একটা বিষয় উঠলেই হলো রমেন বাবুর তার নিয়ে কোনো না কোনো অভিজ্ঞতা আছেই! নিন্দুকে বলে গুল তাপ্পি , কিন্ত শুনতে সবাই খুব ভালোবাসে। বিশেষ করে এমন অদ্ভূতূড়ে গল্প বলেন তাতে সারাদিনের ক্লান্তি কিছুটা হলেও লাঘব হয়…
এক এক করে বৈঠকখানায় এসে উপস্থিত পুরোহিত গিরিধারী, ব্যবসায়ী কিষন সাউ, কথায় কথায় মার্কস আওড়ানো বিপ্লব আর শিক্ষক ভোলানাথ বাবু। তবে এখনও দেখা নেই রমেনবাবুর ।এই বৃষ্টির সন্ধ্যায় তাকেই তো দরকার। দু’বছর আগে এই উত্তর কলকাতায় বাড়ি কেনেন রমেনবাবু, কিন্ত কোথায় তার আদি বাড়ি তা কেউ জানে না। গল্পের খাতিরে নিজের বাড়ি কখনও বলেন বর্ধমান আবার কখনও বলেন মেদিনীপুর আবার কখনও হুগলি; কেউ ভুল ধরিয়ে দিলে বলেন যে তাঁর বাবার নাকি বদলির চাকরি ছিলো। তবে কিসে চাকরি করতেন আর এত বদলিই বা কি করে হলেন আড্ডার সভ্যরা তা জানতে পারেননি। ছাতা টা দরজার বাইরে রেখে ভেতরে প্রবেশ করলেন রমেন দস্তিদার; ঢলঢলা পাজামা আর গায়ে পাঞ্জাবি, না ঠিক পাঞ্জাবি নয় ,ঐ পাঞ্জাবি ছিটের জামা, গলা থেকে নীচ পর্যন্ত বোতাম আর নীচেই বোতাম এর দুপাশে দুটো বড় বড় পকেট।
হাসি হাসি মুখ নিয়ে ঢুকলেন নরহরি মিত্তিরের বৈঠকখানায়। তাকে দেখে বেশ গুছিয়ে বসলেন নরহরি বাবু, চাকর কে ডেকে সবার জন্য আসাম থেকে আনানো চা করতে বললেন। একথা সেকথার পর নরহরি বাবু রমেন বাবুকে বললেন “আজ এই আবহাওয়ায় একটা জমিয়ে গল্প হয়ে যাক” সবাই সায় দিলো তাতে। গল্প শুনতে কার না ভালো লাগে! তবে সেটা সত্যি হোক আর মিথ্যে বানানো , গল্প গল্পই।চায়ের কাপে সশব্দে শেষ চুমুকটা দিয়ে রমেন বাবু একটা বিশ্রী গলা হাঁকরানী দিলেন। আত্ম অহংকারী একটা ভাব এনে গিরিধারির কাছ থেকে দেশলাই চেয়ে বিড়ি ধরিয়ে বললেন ,”তা বলতে কোনো আপত্তি নেই তবে এই বৃষ্টি বাদলের দিনে একটু তেলেভাজা হলে মন্দ হতো না। তাতে গল্পটা আরো জমতো।” তখনি ডাক পড়ল নরহরি বাবুর চাকরের ,”সবার জন্য মুচমুচে বেগুনী করে আনো” অর্ডার হয়ে গেল…
এবার শুরু করলেন রমেন বাবু,
কিছুক্ষন চুপ থেকে গল্প টাকে খানিক গুছিয়ে নিলেন।বাকিরা একটু অধৈর্য্য হয়ে পড়ছিলো বটে। এমন সময় বলে উঠলেন রমেন বাবু-“আপনারা হয়তো জানেন না , আমার মা ছিলেন জমিদার বংশের মেয়ে ,বাবা ভালো চাকরি করতেন দেখে দাদু বিয়ে দেন, নাহলে হয়তো কোনো জমিদার দেখেই বিয়ে দিতেন আর আমিও হয়তো জমিদার হয়ে এইরকম এক সন্ধ্যেয় গড়গড়া টানতাম বালিশে হেলান দিয়ে ।সে যাইহোক, আমার মায়ের খুড়তুতো পিসিমার নিজের নন্দাই ছিলেন চন্দননগরের জমিদার। তার বিশাল সম্পত্তি আর গঙ্গার ধারে বাগান সহ এক বিশাল প্রাসাদ তবে এখন আর তার কোনো চিহ্ন মাত্র নেই, মা গঙ্গা অনেক কাল আগেই তাকে দিয়ে তার ভোজন সেরেছেন। যে সময়’র কথা বলছি সেটা হলো পলাশীর যুদ্ধের ও আগের, সিরাজ তখনও মুর্শিদাবাদের আম্রকাননে খেলা করতো। ইংরেজ ব্যবসায় তখনও ফরাসিদের সাথে এঁটে উঠতে পারেনি।ফরাসীরা চন্দননগরে বেশ জাঁকিয়ে বসেছে। দুএকটা কল-কারখানা করেছে ঐ গঙ্গার ধারে। আমার মা এর খুড়তুতো পিসিমার নন্দাইয়ের কাছে অনুমতি ছাড়া এসব তখন সম্ভব ছিলো না। তিনি ছিলেন এক দুর্দন্ড প্রতাপ মানুষ, তার এক হাঁকে বাঘ-গরুতে এক ঘাটে জল খেতো। শিকারেও তেমনি পারদর্শী, এক গুলিতে বাঘ সিংহ মারতেন। ফরাসী সাহেবদের সাথে তার খুব দহরম মহরম ছিলো; আর তারা খুব মান্যি করতেন তাঁকে। যে বন্দুক দিয়ে বাঘ মারতেন সেটা নাকি ঐ ফরাসীরাই তাকে দিয়েছিল । এভাবেই চলছিলো বেশ। ফরাসীরা ব্যবসা করে, উপঢৌকন, রাজস্ব জমিদারীর কোষাগারে জমা পড়ে , আর কী চাই? এভাবে চললো কয়েক বছর আর তার পরেই ঘটলো বিপত্তি। বাংলার অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে ,সিরাজ নবাব হয়ে বসার পর ইংরেজ দের সাথে যুদ্ধ করে প্রান খুইয়েছেন। কলকাতা এখন ইংরেজদের। ফরাসীরা একটু কোনঠাসা হয়ে পড়েছে।এর মধ্যেই শুরু হয়ে গেছে সপ্ত বর্ষের যুদ্ধ।এমন সময় একদিন এক ইংরেজ ছোকরা হাজির ঐ জমিদার এর দরবারে। তার ইচ্ছা যে সে চন্দননগরে ব্যবসা করবে। সে ছোঁড়ার সাহস আছে বলতে হবে, একেবারে ফরাসিদের ঘাঁটিতে এসে ব্যবসা করতে চায়। ওদিকে জমিদার ফরাসী বনিক ঘেঁসা, তার বিপদ আপদে ফরাসীরায় পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের সাথে তো আর বেইমানি করা চলে না! তা সে কথা তিনি বললেন সেই ইংরেজ ছোকরা কে, সে কাকুতি মিনতি করলে। জমিদার নিমরাজি হয়েছেন দেখে ফরাসীরা তাকে ডেকে বেশ ধমক দেন, তাকে মনে করিয়ে দেন নিজেদের উপকারের কথা।ফরাসীদের এই ব্যবহারে জমিদার খুব অপমানিত হন।আর সেই রাগ গিয়ে পড়ে ঐ ছোকরার ওপর। পরে যেদিন ব্যাটা ব্যবসার অনুমতিনামা নিতে আসে সেদিন জমিদার তাকে কিছু কুকথা শুনে হাঁকিয়ে দেন। এমনকি তার দেশ নিয়েও দুকথা শুনিয়ে দেন জমিদার।রাগে,অপমানে সে ছোকরার লাল মুখ আরো লাল হয়ে যায়। যেনো ইঁট পুড়ে সবে মাত্র বাইরে এনেছে; ছোকরা চলে যায় বটে তবে মনে মনে এর বদলা নেবে ঠিক করে যায়। তখন কিছু বোঝা না গেলেও পরে তার ফল হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায়। কিছুদিন যাওয়ার পর হঠাৎ একদিন মারা গেলেন ঐ জমিদার, তাঁর নাকি হার্টফেল হয়েছিলো। ডাক্তার মৃতদেহ পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখলেন নাকের গোড়ায় কালো কালো ছোপ। যারা নস্যি নেয় তাদের ওরকম থাকে বটে, তবে ডাক্তারের কেমন যেন সন্দেহ হলো। রাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছিল, তাই বিষ খাবারে থাকতে পারে ভেবে রাতের খাবারের উচ্ছিষ্ট পরীক্ষা করা হয়, কিছুই পাওয়া গেল না। তখন এ মৃত্যু স্বাভাবিক বলেই ধরে নেওয়া হবে মনে হতে লাগলো ঠিক তখনই কোনো এক ফরাসী পুলিশের মনে হয় যে নস্যির কৌটো টা একবার পরীক্ষা করে দেখলে হয় না! যেমন ভাবা তেমন কাজ। পরীক্ষা হলো আর ঐ নস্যিতে পাওয়া গেল একরকমের বিষ, যা ইউরোপেই ব্যবহার হতো। কিন্তু এদেশে কিভাবে আর কে এগুলো আনলো ,আর জমিদার এর নস্যিতে মেলালোই বা কি করে তাই নিয়ে বসল তদন্ত কমিটি। ক’দিন এর মধ্যেই খবর পাওয়া গেল ঐ ইংরেজ ছোকরারই কাজ এটা ,জমিদার এর খাস চাকর হরিপদর বউকে টাকার লোভ দেখিয়ে সে একাজ করে,যদিও হরিপদ কিছু জানতো না ,সে নস্যি এনে দিতো জমিদারকে। আর হরিপদর বউও জমিদার বাড়িতেই কাজ করতো রান্নার, কোনো এক সুযোগে বর এর আনা নস্যির মধ্যে মিশিয়ে দেয় ঐ ধূসর রঙ এর বিষ। তারপর রাতে যখন জমিদার নস্যি নিয়েছেন আর গেছেন। আরে বাংলায় ইংরেজ আর ফরাসীদের রফা হয়ে যাচ্ছিলো আর এই সময় ঘটলো এমন ঘটনা। স্বভাবতই ফরাসীরা ইংরেজ দের ওপর আরো খাপ্পা হয়ে উঠল- তাদের বন্ধুর মৃত্যুর বদলা নিতে উঠে পড়ে লাগলো। আর তাতেই বেড়ে গেল ইঙ্গ ফরাসী যুদ্ধ।”
এই বলে থামলেন রমেন বাবু, যেন এক যুদ্ধ জয়ের হাসি। প্রতিদিন এর মতই গিরিধারী বলে উঠলো-“বাবা! নস্যি দিয়ে খুন ,বাপের জন্মেও শুনিনি।”
“সে তো কত কিছুই শোনোনি” একটু তিরিক্ষে ভাবে বললেন রমেন বাবু। আসলে তার গল্প শেষ হলেই পুরোহিত গিরিধারির কিছু না কিছু একটা বলা চায়। গিরিধারীর মুখের দিকে তাকালেন রমেনবাবু, বুঝতেই পারলেন যে সে এ গল্প বিশ্বাস করেনি। আর সেই বুঝেই একবার সবার মুখের দিকে একবার চোখ বুলিয়ে রমেনবাবু বললেন “জানতাম, অনেকে এ কথা বিশ্বাস করবে না, তাই সেই নস্যির কৌটো সঙ্গে করে নিয়ে এসেছি।” এই কথা শুনে সকলে তো হাঁ, বলে কি ! সেই সিরাজ এর সময়কার নস্যির কৌটো মানে প্রায় আড়াইশো বছর আগেকার। এবার সকলের মুখের অবস্থা দেখে রমেনবাবু মনে মনে হাসলেন। গিরিধারীর ভ্রু যুগল এখনো কুঁচকে আছে। আস্তে আস্তে পকেটে হাত দিলেন রমেনবাবু, বেরিয়ে আসতে চলেছে কয়েক শতাব্দী প্রাচীন নস্যির কৌটো ,তার জন্য কত বড় যুদ্ধ হয়ে গেল।যদি না জমিদার নস্যি নিতেন তাহলে হয়তো ইংরেজ আর ফরাসীদের মধ্যে রফা হয়ে যেত। ঘরের হালকা আলোয় রমেনবাবু যে জিনিসটা বের করলেন তা দেখে ঘরের সভ্য বৃন্দ হতাশই হলেন। গিরিধারী তো একটা ছুক্ করে শব্দ ও করলো ।আসলে সবাই ভেবেছিলো একটা চকচকে কৌটো বেরোবে তার গায়ে মনি মুক্ত বসানো, অন্তত রমেনবাবু র বিবরণ অনুযায়ী তো তাই হওয়া উচিত। কিন্তু যেটা বেরোলো তা তামার একটা রঙচটা আঙুল তিন লম্বা ক্ষয়িষ্ণু কৌটো ,যার গায়ে কটা পাথর বসানো আছে বটে তবে তার কোনো দীপ্তি নেই, নেই কোনো ঠিকরে পড়া আলো! এযেন পর্বতের মুষিক প্রসব। রমেনবাবুর ঠোঁটের কোনে একটা হাসি ,যেন গিরিধারীকে জব্দ করেছেন। হাতে নিয়ে সবাই একবার দেখলেন।নরহরি বাবু জিজ্ঞাসা করলেন-” এ জিনিস তোমার কাছে এলো কিভাবে রমেন?”
রমেন বাবু উত্তর দিতে যাবেন এমন সময় বেগুনী এসে হাজির তবে তার হাজিরা আজ সিনেমায় পুলিশের মতো হয়ে গেল ,সব শেষ হওয়ার পর তার প্রবেশ।যাইহোক তার দর্শন পাওয়া গেছে এ বৃষ্টির সন্ধ্যায় ,আর তার ওপর মাগনায় তখন সদগতি করায় শ্রেয়। টেবিলের ওপর রাখা নস্যির কৌটো থেকে এক চিমটে নস্যি নিয়ে নাকে ঢললেন রমেনবাবু, তারপর তিনি যে প্রকান্ড হাঁ টা করলেন তাতে করে তার আলজিভটা পর্যন্ত দেখা গেল । ভ্রু দুটো কুঁচকে এসেছে ,নাকের ফুটো একবার ছোটো হয়ে বড় হচ্ছে, কান দুটো যেন আরো দুহাত প্রসারিত করে দিলো। যে ঝড় আসতে চলেছে তার প্রকোপ থেকে বাঁচতে সেফটি উপায় অবলম্বন করলেন। নরহরি বাবু হেলান ছেড়ে টানটান হয়ে বসেছেন।যেন এক সিনেমার ক্লাইম্যাক্স আস্তে চলেছে। শিক্ষক ভোলানাথ ধুতির খুঁট তুলে নিজের চোখ মুখ ঢাকছে , বিপ্লব মুখটা সরিয়ে নিলেও আলতো করে ঘার বেঁকিয়ে তাকিয়ে থাকলো , বিহারী কিষন সাউ “আরে রাম রাম বলে উঠতে উদ্যত হলো আর গিরিধারী নিজের জীবন বিপন্ন করে আসন্ন জলোচ্ছ্বাস এর কবল থেকে গরম বেগুনী দের বাঁচাতে বুক দিয়ে আগলে রেখেছে তেলেভাজার থালাটা; আর এমন সময় বহু প্রতীক্ষিত হাঁচি সশব্দে নির্গত হলো রমেনবাবু র মুখ থেকে“…হ্যাঁচ্চো…”
এ শব্দ আশাকরি লালবাজার থেকেও শোনা যাবে, তারা না পরমানু বোম ফাটলো কিনা সে ব্যাপারে তদন্ত করতে বেরিয়ে পড়ে !
গিরিধারী, বৃষ্টির মধ্যেই ডেকে নিয়ে এলো পাড়ার বিধু ডাক্তারকে। রমেনবাবুর নাড়ি পরীক্ষা করে বললেন,”বুঝলেন নরহরি বাবু ,ইনি হার্টফেল করে মারা গেছেন।” শুনেই সবাই চমকে উঠলো ।নস্যি নিয়ে ঐ যে হাঁচি দিলেন রমেনবাবু তাতে তাঁরই হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে গেল। তক্তোপোশের ওপর পড়ে রয়েছে রমেনবাবুর দেহ। ডাক্তার দু একটা কথা জিজ্ঞাসা করে উঠে পড়লেন, বললেন-“এক ঘন্টা পর গিয়ে ডেথ সার্টিফিকেট টা কেউ নিয়ে আসবেন।” নরহরি বাবু মাথা টা ঝাঁকিয়ে বিড়বিড় করতে লাগলেন,”কি যে হয়ে গেল!” এমন সময় গিরিধারী টেবিলে রাখা নস্যির কৌটো টা দেখিয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করলো। ইতিমধ্যে কারেন্ট চলে যাওয়ায় ঘরে শুধু একটা মোমবাতি জ্বলছিলো,আর তার আলোতেই সবাই দেখলো সেই নস্যির কৌটো টা যেন বেশ জ্বলজ্বল করছে ,তার গায়ে বসানো নীল,সবুজ ,হলুদ পাথর থেকে একটা ছটা যেন হালকা হয়ে বেরোচ্ছে। বৃষ্টি থেমে চাঁদ এর আলো জানালা দিয়ে এসে পড়েছে টেবিলটায় ,আর তাতে যেন একটা মায়াবী উজ্জ্বলতা পেয়েছে নস্যির কৌটোটা।
গিরিধারী ,নরহরি বাবুর কানের কাছে মুখ টা এনে বললো-“ঐ যে মার্ডার ওয়েপন!”

: অর্চিষ্মান গাঙ্গুলি