যেন ক্ষনিকের আমন্ত্রন আর আগুন মেঘে ফেটে যাওয়া ফুলের স্তবক ,
ভীষণ কঠিন নিয়মে বাঁধা কোনো সময় মানব ছুঁয়ে কোয়ারেন্টাইন ইলোরা কাঁদে আমলকী বনে…
বৃষ্টিকে ঘুমপাড়ানি গানের মতো৷
সহস্রকোটি অপেক্ষা শেষে ভীষণ নিয়মের টেলিফোনে রাত জাগে জলপট্টি রাতের ইলোরা,
কন্টকাবৃত্ত দিন যাপনে অসুখ সময় অস্ত যায় না আর…
ক্রমে এইভাবে বয়ে চলে কোয়ারেন্টাইন ইলোরার বেঁচে থাকা ৷
বদ্ধ সংসার চুম্বন ছুঁড়তেও সংকোচ করে বাতাসে ,
যেন অপ্সরার বন্ধনে আবদ্ধ নায়ক নিজেকে নিজেই বেঁধেছে এইভাবে…
তাই আকন্ঠ গরলে বাকরুদ্ধ ইলোরা ছন্দ খুঁজছে মৃত্যু-ঠিকানার ৷
মুক্ত বিহঙ্গের ডাক কখনো কি পাবে শুনতে ?
স্বাধীন ফিনিক্সের মতো কেউ কি বলবে —ইলোরা সর্বস্ব ছেড়ে আমি শুধু বাঁচব তোমার জন্য ?
হাজার আলোকবর্ষ আমি হাঁটব তোমার জন্য ?
বলবে কি সে কথা !!
নাকি,
বার বার যন্ত্রের বুকে বেজে উঠবে পিছুটান,আকন্ঠ সন্দেহ জড়ানো শব্দে ৷
আর তখনই কি সংসারে আবদ্ধ হবে পুনরায় কেউ ?
মিলিয়ে যাবে সন্দেহমাখা খামের গভীরে ?
অজানা , সবটুকু অজানা ৷
অচেনা স্তবকের মতো সেই ক্ষনে ইলোরা তখন ঠিক বেছে নেবে একাকী আলোর সরলরেখা —
কেননা বিমূর্ত নূপুরঝরানো রক্তের আলিঙ্গনে সে চিরকালই একা ৷

ছবি: গুগল
সায়নী সরকার
ঠিকানা-ভাতছালা, স্টাইলো মোড়,পূর্ব বর্ধমান
713101