কৃষানী সূর্যের আলো ভালোবাসি
ভালোবাসি সূর্যের এক দেহ আগুন
তার স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে দিই দুহাতে ।
লক্ষ লক্ষ তারা অঞ্জলি ভরে আগুন পান করে
নক্ষত্র হয়ে ওঠে,উত্তাপ ছড়ায়।
মাটি পোড়ে,পুড়ে পুড়ে খাঁটি হয় মাটির হৃদয়।
যত মেঘ ডানা মেলে ,খুজে আনে তুষারের ধোঁয়া
ঝলসানো মাছেদের বিবর্ণ পাতা
সূর্যের পরিধি মাপে মেপে দ্যাখে বিকিরিত পথ।
উত্তীর্ণ কাল বেয়ে রক্ত ঝরে ফোঁটায় ফোঁটায়
নিশ্চল সময়ের হাঁড়িকাঠে বাঁধা থাকে বন্ধ্যা পৃথিবী,
চেতনার হাজারো হাত তখনো আগুন ছড়ায়
কেঁপে ওঠে বারুদ পাহাড়।
সমুদ্রাগ্নির হলুদ স্রোতে অন্ধত্বের অন্ধকার ছিঁড়ে
খুঁজে আনে ফুটন্ত সকাল ।
পোড়ামাটির খাটি হৃদয়ের বর্ণহীন সারগাছি
সাম্যবাদের ইতিহাস লেখে,রাষ্ট্রের ঠিকানায়
লাল বাতির আলো নেভে ,নিভে যায় সূর্যাস্তের মতো।
দিগন্তের নীল রেখার ওপারে কৃষাণ-,কৃষানী
কৃষানীর হাতের কাস্তের মরচে পড়েনি
লংম্যান হেঁটে যাওয়া নিরন্ন জনতার পায়ের অস্পষ্ট
ছাপ,জমাট রক্ত মাড়িয়ে এসো খোঁজে দেখি
আগুন পাথর।।

ছবি গুগুল
: তামস চক্রবর্তী, দ্বৈপায়ন সাহিত্য পত্রিকা