‘হৃদয়ের  ককপিট’

হৃদয়ের ককপিটে কিছু কথা রয়েছে জমা

ভগ্ন হৃদয় থেকে তার মৃদু ভাষা আসছে ভেসে

সকাল সন্ধ্যায় সে সদ্যজাত শিশুর মতো
হাত পা ছুড়ে ছুড়ে নির্বাক কান্না জুড়ে দেয়।
আমি তার কান্না শুনে শুনে দেয়ালে হাতুড়ি চালাই

ঝুলিয়ে রাখি তার ভগ্ন স্মৃতি,অমলিন সাদাকালো মুখ
তার বুক পকেটে যে শেষ চিঠিটা লেখা ছিল
বৃষ্টির জলে ধুয়ে গেছে তার সব ভাষা

আমি তাই জল হাতড়ে হাতড়ে খুঁজে ফিরি তার ছায়াশীল মুখ,

অশরিরী আত্মার মতো আমার কাঁধে তার হাত
নিশ্বাসে তার গোপন গন্ধ হাস্নাহেনার মতো
জানালার পর্দায় ঝুলে ঝুলে দোল খায়।

আমি তাকে খুঁজি ভায়োলিনের ক্লান্তিকর সুরে,
তার অবয়ব চোখে ভাসে;
মেঘের ছেঁড়া দেহে তার আকৃতি দেখা যায়।

আমি ভেলা হয়ে ছুটি নদীতে, সাগরে পাথরের শীতল দেহে

কোথাও পাই যদি তার মতো বিশ্বাসী চোখ, বিশ্বস্ত হাত।

আমি নিজেকে খুঁজিনি কখনো আলোঘর মজলিশে

সুরার গন্ধ থেকে নৃত্যের ঝঙ্কার বাজে ওই।

শতাব্দীর পর শতাব্দী পেরিয়ে যায় তবু আমি তারে খুঁজি
মজলিশে মজলিশে হৃদয়ের ককপিটে।

: স্বপঞ্জয় চৌধুরী, ঢাকা।

Published by B O I K A A L

লেখার স্বত্ব সম্পূর্ণভাবে লেখকের; কারোর থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে না অনুকরণ করে সে দায় বা দায়িত্বটি বইকাল ব্লগ নিতে অপারগ কেননা বিশ্বাস বস্তুটির ওপর ভর করে আমাদের পথ চলা শুরু; এটুকু আমাদের মার্জনা করা হবে আশা করি। যতিচিহ্ন সংক্রান্ত ব্যাপারে সম্পাদক কাজ করলেও লাইন স্পেশিং বা বানানের দায়ভার সম্পূর্ণ লেখকমন্ডলীর। ধন্যবাদ...❤

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started