এনিমেলপিডিয়া

Anaconda (এনাকোন্ডা)
kingdom – Animalia
phylum – chordata
class – reptilia
order – squamata
family -boidae
genus – Eunectus

উপরে যেটা দেওয়া রইলো সেটা তো এর বৈজ্ঞানিক পরিচয়। কিন্তু ৯০ এর দশকে এই সাপ কে নিয়ে হলিউড যে ভয়ানক সিরিজ টা বানিয়েছিল সেটা দেখেন নি এরকম কেউ নেই নিশ্চই।

সেই সিনেমার মধ্যে দিয়ে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়লো সে বাঙালির কাছে এবং ভারতীয়দের কাছেও।
এখন তো তার সমন্ধে আমরা অনেক কিছুই জানি। তাও একবার চেষ্টা করলাম সেগুলো কে একত্রে করার।

Anaconda আসলে তার আকারের জন্যই আমাদের কাছে একটা ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করে রাখে। অনেকের ই ধারণা এদের আফ্রিকায় পাওয়া যায় (যেহেতু আফ্রিকায় প্রচুর জীব জন্তু পাওয়া যায়)। কিন্তু Anaconda নামের বোয়া সাপের এই প্রজাতি পাওয়া যায় দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদী অববাহিকা তে।এরা সাধারণত বেশ শান্ত হয়। তবে খিদে পেলে আলাদা কথা।সম্পূর্ণ নির্বিষ সাপ,তাই বলে কেত মারবেন না যেন।

Anaconda সাপটার মোট চারটে প্রজাতি আছে

১) Green Anaconda (Eunectes muriunus)

2) Yellow Anaconda (Eunectes notaeus)

3) The darkly spotted anaconda (Eunectes deschauenseel)

4) The boilivian anaconda ( Eunectes beniensis)

এদের মধ্যে গ্রীন Anaconda কে মূলত পাওয়া যায় দক্ষিন আমেরিকার আন্দিজ পর্বত শ্রেণীর পূর্ব দিকে।কলম্বিয়া,ভেনেজুয়েলা,ইকুয়েডর,পেরু,বলিভিয়া,ব্রাজিল এবং উত্তর প্যারাগুয়ে তেও।

এরা সাধারণত নিশাচর হয় এবং জলের তলায় থাকতে পছন্দ করে। শিকার ধরার সময় তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে হাড়গোড় ভেঙে চাপে শ্বাসরোধ করে মারতে সাহায্য করে।
আর এরা বেশ খেতে ভালোবাসে (ওই আমার আপনার মতো আর কি!)
কি খায়? মূলত মাংসাশী। টেপির,হরিণ,ক্যাপিবারা এমনকি আমাজন নদীর কেমেন কুমির কেও ছাড়ে না।প্রায়ই জল তোলপাড় করে লড়াই হয় দুজনের। গ্রীন Anaconda এর সব থেকে বড়ো মাপের যেটা পাওয়া গেছিল সেটার মরার সময় ২০.৫ ফুট লম্বা ছিল।(বাবা রে!)।ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এদের ওজন হয় ২২৭ কেজি।

Yellow Anaconda (Eunectes notaeus) কে পাওয়া যায় প্যারাগুয়ের নদী ও তার শাখাপ্রশাখায়।আর ব্রাজিল এর পশ্চিম দিক এবং আর্জেন্টিনার উত্তর পূর্বে। এরা খুব ভালো সাঁতারু হয়। প্রাপ্তবয়স্ক দের আকার হয় ১০.৮ থেকে ১৪.৪ ফুট পর্যন্ত। মেয়েদের আকার ছেলেদের থেকে বড়ো হয়। সাধারণত ২৫ থেকে ৩৫ কেজি ও ওজন হয়।কিন্তু ৫৫ কেজির বেশি ওজনের এই প্রজাতির সাপ ও পাওয়া গেছে।
কলকাতার চিড়িয়াখানা তে এই প্রজাতির ৪ টে সাপ কে এনে রাখা হয়েছে

The darkly spotted anaconda (Eunectes deschauenseel) = এর সমন্ধে সেরকম আলাদা কোন তথ্য পাওয়া যায় নি। বিচরণ ক্ষেত্র ব্রাজিল এর উত্তরে ও ফ্রেঞ্চ গায়ানার জলাভূমি তে। ৫১ থেকে ৮৩ ইঞ্চি লম্বা হয় পুরুষেরা আর মেয়েরা ৪৭ থেকে ৯১ ইঞ্চি।

The boilivian anaconda ( Eunectes beniensis) = এদের একমাত্র বলিভিয়ার উত্তরে দেখতে পাওয়া যায়।আগে মনে করা হতো এটা গ্রীন আর ইয়োলো anaconda এর হাইব্রিড প্রজাতি,কিন্তু পরে জানা গেছে যে এরা সম্পূর্ণ আলাদা প্রজাতি।

তথ্য সূত্র-গুগল
উপরে যেটা দেওয়া রইলো সেটা তো এর বৈজ্ঞানিক পরিচয়। কিন্তু ৯০ এর দশকে এই সাপ কে নিয়ে হলিউড যে ভয়ানক সিরিজ টা বানিয়েছিল সেটা দেখেন নি এরকম কেউ নেই নিশ্চই।

সেই সিনেমার মধ্যে দিয়ে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়লো সে বাঙালির কাছে এবং ভারতীয়দের কাছেও।
এখন তো তার সমন্ধে আমরা অনেক কিছুই জানি। তাও একবার চেষ্টা করলাম সেগুলো কে একত্রে করার।

Anaconda আসলে তার আকারের জন্যই আমাদের কাছে একটা ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করে রাখে। অনেকের ই ধারণা এদের আফ্রিকায় পাওয়া যায় (যেহেতু আফ্রিকায় প্রচুর জীব জন্তু পাওয়া যায়)। কিন্তু Anaconda নামের বোয়া সাপের এই প্রজাতি পাওয়া যায় দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদী অববাহিকা তে।এরা সাধারণত বেশ শান্ত হয়। তবে খিদে পেলে আলাদা কথা।সম্পূর্ণ নির্বিষ সাপ,তাই বলে কেত মারবেন না যেন।

Anaconda সাপটার মোট চারটে প্রজাতি আছে

১) Green Anaconda (Eunectes muriunus)

2) Yellow Anaconda (Eunectes notaeus)

3) The darkly spotted anaconda (Eunectes deschauenseel)

4) The boilivian anaconda ( Eunectes beniensis)

এদের মধ্যে গ্রীন Anaconda কে মূলত পাওয়া যায় দক্ষিন আমেরিকার আন্দিজ পর্বত শ্রেণীর পূর্ব দিকে।কলম্বিয়া,ভেনেজুয়েলা,ইকুয়েডর,পেরু,বলিভিয়া,ব্রাজিল এবং উত্তর প্যারাগুয়ে তেও।

এরা সাধারণত নিশাচর হয় এবং জলের তলায় থাকতে পছন্দ করে। শিকার ধরার সময় তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে হাড়গোড় ভেঙে চাপে শ্বাসরোধ করে মারতে সাহায্য করে।
আর এরা বেশ খেতে ভালোবাসে (ওই আমার আপনার মতো আর কি!)
কি খায়? মূলত মাংসাশী। টেপির,হরিণ,ক্যাপিবারা এমনকি আমাজন নদীর কেমেন কুমির কেও ছাড়ে না।প্রায়ই জল তোলপাড় করে লড়াই হয় দুজনের। গ্রীন Anaconda এর সব থেকে বড়ো মাপের যেটা পাওয়া গেছিল সেটার মরার সময় ২০.৫ ফুট লম্বা ছিল।(বাবা রে!)।ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এদের ওজন হয় ২২৭ কেজি।

Yellow Anaconda (Eunectes notaeus) কে পাওয়া যায় প্যারাগুয়ের নদী ও তার শাখাপ্রশাখায়।আর ব্রাজিল এর পশ্চিম দিক এবং আর্জেন্টিনার উত্তর পূর্বে। এরা খুব ভালো সাঁতারু হয়। প্রাপ্তবয়স্ক দের আকার হয় ১০.৮ থেকে ১৪.৪ ফুট পর্যন্ত। মেয়েদের আকার ছেলেদের থেকে বড়ো হয়। সাধারণত ২৫ থেকে ৩৫ কেজি ও ওজন হয়।কিন্তু ৫৫ কেজির বেশি ওজনের এই প্রজাতির সাপ ও পাওয়া গেছে।
কলকাতার চিড়িয়াখানা তে এই প্রজাতির ৪ টে সাপ কে এনে রাখা হয়েছে

The darkly spotted anaconda (Eunectes deschauenseel) = এর সমন্ধে সেরকম আলাদা কোন তথ্য পাওয়া যায় নি। বিচরণ ক্ষেত্র ব্রাজিল এর উত্তরে ও ফ্রেঞ্চ গায়ানার জলাভূমি তে। ৫১ থেকে ৮৩ ইঞ্চি লম্বা হয় পুরুষেরা আর মেয়েরা ৪৭ থেকে ৯১ ইঞ্চি।

The boilivian anaconda ( Eunectes beniensis) = এদের একমাত্র বলিভিয়ার উত্তরে দেখতে পাওয়া যায়।আগে মনে করা হতো এটা গ্রীন আর ইয়োলো anaconda এর হাইব্রিড প্রজাতি,কিন্তু পরে জানা গেছে যে এরা সম্পূর্ণ আলাদা প্রজাতি।

তথ্য সূত্র-গুগল

: কৌস্তভ রায়

Published by B O I K A A L

লেখার স্বত্ব সম্পূর্ণভাবে লেখকের; কারোর থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে না অনুকরণ করে সে দায় বা দায়িত্বটি বইকাল ব্লগ নিতে অপারগ কেননা বিশ্বাস বস্তুটির ওপর ভর করে আমাদের পথ চলা শুরু; এটুকু আমাদের মার্জনা করা হবে আশা করি। যতিচিহ্ন সংক্রান্ত ব্যাপারে সম্পাদক কাজ করলেও লাইন স্পেশিং বা বানানের দায়ভার সম্পূর্ণ লেখকমন্ডলীর। ধন্যবাদ...❤

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started